সোমবার, ২৮ নভেম্বর, ২০১৬

আপনার বুকের ওপরে চরে বসে আছে আর আপনি ঠিক মতো নিশ্বাস নিতে পারছেন না


অনেকের মুখেই শোণা যায় যে,
তাদের রাতের বেলা ঘুমনোর সময়
বোবায় ধরেছিল। কথাটা শুনলেই কেমন
যেন শরীর ভারি ভারি হয়ে যায়।
মনেহয় যেন সত্যি কোন ভূত এসেছিল
তাদের কাছে। কমবেশি সবাই এই কথা
বা পরিস্থিতির সাথে পরিচিত। ঠিক
কেন এমন হয়? বিজ্ঞানে কি বলে, আসুন
দেখি বিস্তারিত।
রাতে আপনি গভীর ঘুমের মাঝে
আছেন হটাথ করে মাঝরাতে আপনার ঘুম
ভেঙ্গে গেলো আর আপনি দেখছেন
কি যেন একটা বড়সড় জিনিস বা বস্তু
আপনার বুকের ওপরে চরে বসে আছে
আর আপনি ঠিক মতো নিশ্বাস নিতে
পারছেন না, আপনার শরীর যেন পাথর
হয়ে গেছে, এক বিন্দু নড়াচড়া করতে
পারছেন না।
চেষ্টা করছেন চীৎকার দেবার জন্য
কিন্তু সেটিও পারছেন না। এই ধরনের
পরিস্থিতিতে পড়লে যেকেউই অনেক
ভয় পেয়ে যাবে। মনে পরে যাবে যতসব
ভৌতিক কথা বার্তা। কিন্তু বাস্তবে
এটি হবার কারন ভিন্ন।
বিশেষজ্ঞদের মতে বোবায় ধরা বা
স্লিপ প্যারালাইসিস তেমন কিছু না এটি
একটি ইন্দ্রিয় ঘটিত ব্যাপার। আপনি যখন
গভীর ঘুমে থাকেন এবং আপনার শরীর
একপাশ থেকে অন্য পাশে যায় তখন এটি
ঘটে। যখন একটি মানুষকে বোবায় ধরে
তখন একেক জনার একেক ধরনের
অভিজ্ঞতা হয়। কেউ তার ঘরের
ভেতরে ভৌতিক কোনকিছুর উপস্থিতি
টের পায়।
কেউ আবার ভয়ানক কোন জন্তু
জানোয়ারের দেখে। এইগুলা আসলে
সবই মনের ভুল ধরনা আর এই অনুভূতি
শুধুমাত্র ভয়ের কারনে হয়ে থাকে
বাস্তবে কিছু না। আপনি যখন ঘুমের
ঘোরে এক পাশ থেকে অন্য পাশ
ফিরতে যান আপনার মস্তিষ্ক তখন সযাক
হয়ে পরে কিন্তু আপনার শরীর ঘুমের
মধ্যেই থাকে আর ঠিক তখনি এই ধরনের
ঘটনা ঘটে। এতে ভয় পাবার কিছু নেই
এটি একটি স্বাভাবিক ব্যাপার।
ঠিক কেন এমন হয়?
বোবায় ধরা বা স্লিপ প্যরালাইসিসের
বিভিন্ন কারনে হতে পারে। এর মধ্যে
প্রধান কিছু কারন হচ্ছে, সবসময় খুব মানসিক
চাপের ভেতরে থাকা, অপর্যাপ্ত ঘুম,
সারাদিন খুব কঠিন পরিশ্রম করা, ইত্যাদি।
বিশেষজ্ঞদের মতে যখন কেউ ঘুমের
মাঝে এক পাশ থেকে অপর পাশে
ফিরেন তখন এটি হয়। এছাড়া আরও কিছু
কারনে হয় যেমন, কোন দুঃস্বপ্ন দেখে
হটাথ করে ঘুম ভেঙ্গে গেলে, দুশ্চিন্তা
করতে করতে ঘুমিয়ে গেলে, হাত-
পায়ের মাংশে খিঁচ ধরা, বিষণ্ণতা,
ইত্যাদি ঘুম সংক্রান্ত সমস্যা।
স্লিপ প্যরালাইসিসের থেকে বাঁচার
উপায়-
বোবায় ধরা বা স্লিপিং প্যারাইসিস
থেকে বাঁচতে হলে আপনাকে সচেতন
হতে হবে এবং ঘুমনোর জন্য নিদিষ্ট সময়
মেনে চলতে হবে। মনে রাখবেন
আপনার জন্য দৈনিক ৮ ঘণ্টা ঘুম খুব বেশি
জরুরি।
অযথা রাত জাগার কোন দরকার নেই। আর
রাত্রে ঘুমনোর আগে মোবাইল ফোন
বা ল্যাপটপ ব্যাবহার থেকে বিরত থাকুন
এতে করে আপনার তারাতারি ঘুম
আসবে। যদি পারেন রাত্রে ঘুমনোর
আগে ওযু করে ঘুমতে যাবেন এতে করে
দেখবেন আপনার অনেক ফ্রেস ঘুম হবে।

মঙ্গলবার, ২২ নভেম্বর, ২০১৬


জীবনটা এত সস্তা না,
মানুষ কিন্তু শেষ নিঃশ্বাস নেওয়ার আগেও একটি নিঃশ্বাস নেয়
তবে এটা প্রাপ্তির নিঃশ্বাস.. আর পরেরটা অপ্রাপ্তির!!

সোমবার, ২১ নভেম্বর, ২০১৬

মায়াবি চাদ


মায়াবী চাঁদ
তুই দূরে দূরেই থাক ....
তোর উপর দিয়ে মেঘ যায় ...
বৃষ্টি যায় .আমি দেখি .....
বুঝি তোর মুখের ছায়া মায়া অপ্রাপ্তির বেদনা নিঃসঙ্গতা
মায়াবী চাঁদ
একদিন দেখা হবেই আবার ..জোছনাভরা কোন ক্ষণে
সেদিন জোছনায় কিভাবে নিজেকে লুকাবে

সোমবার, ১৭ অক্টোবর, ২০১৬

অশ্রু সিক্ত তোমার স্মৃতি


জীবনের সব রঙিন গল্প,
আজ সেই সেরা গল্পেরা তুচ্ছ. আর
নিস্তব্ধ নিথর হয়ে পড়ে আছে...!
মাঝে মাঝে সেই নিস্তব্ধ সব স্বপ্ন
গুলোআমার মনের গহীনে কষ্টের এক
সীমা
রেখা একেঁ দেয়.

রবিবার, ১৯ জুন, ২০১৬

স্বপ্ন বোনা দু'চোখে বিষাক্ত নীল পর্দায় ছেয়ে গেছে তার মধ্যমনি, অাগ্নেয় অশ্রুর লবনাক্ত গুলো ক্ষত বিক্ষত করে দিয়েছে শুকনো মুখের চামড়া গুলি। অামি ঠিক এখন অালোর মাঝে ছায়াহীন ভয়ঙ্কর পিচাশ, অন্ধকারে হেটে যাওয়া কোন নীল কঙ্কাল। তোমার চলে যাওয়ার শেষ পায়ের চিহ্নের ধুলো গুলো তক্তপোশে ছিঁটিয়ে রেখেছি। বিবর্ণ ধুলো গুলো অাজ অামার ভালোবাসার শেষ চিহ্নের সাক্ষী।

শনিবার, ১১ জুন, ২০১৬

বেঁচে থাকার অধিকার

নিঃশব্দ চরাচরে জেগে থাকা আমার মতো আত্মাগুলো
খুঁজে ফেরে কালের বাঁধনহারা আগামীর রথ
অথবা চলে যায় সুদূরে ফেলে আসা কোনও গহীন ছায়াপথ
যেখানে এখনো ছুটে গিয়ে দিতে চাই নিজেকে বিসর্জন পেলাম শুধু বেঁচে থাকার অধিকার
চাই না আমি এমন জীবন ...
প্রতিনিয়ত মৃত্যু আসে যেখানে বার বার

রবিবার, ২৯ মে, ২০১৬

উদ্দেশ্যহীন বিষন্ন ছায়াতে

কষ্ট নিয়ে বেঁচে আছি ইট ভাটার আগুনের মতো সারারাত জাগা গোপন কষ্ট যার একটা অশ্রু ফোঁটা যে কি ভয়ঙ্কর তা বলে বোঝাতে পারবো না আমার ঘুড়িটার সুতা তোমার হাতে তুলে দিয়েছি অনেক আগেই স্মৃতির পাঁহারায় সুখ গুলো দুহাতে সরিয়ে দিয়ে গেলে..সুখ আজ মৃত আত্মাদের মত ঘুমিযে আছে জীবন নামের কবরে