শনিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০১৬

ছায়াহীন এই প্রান্তরে জীবনটা বয়েই গেল তুমিহীনা পথে তোমার স্মৃতিতে জড়িয়ে তোমার আদরের ক্ষত বুকে চেপে নির্বাক পথচলা তুমি ফিরে এলে না তবু অপেক্ষা কেন ফুরলো না


জীবনের ব্যস্ততায় বাস্তবতার কাঁটাতারে...
তৃপ্তির মেঘেদের বিঁধে রক্ত হয়ে ঝরে পড়া..
আমি তবু দিশেহারা পথিকের মত তাকিয়ে থাকি
তাদের আবার ফিরে আসার অপেক্ষায়..
কোথায় সে বৃষ্টি..কোথায় সে জোছনা কোথায়...
কে করেছে আমার স্বপ্ন চুরি?
অবলীলায় কাঁচি দিয়ে কেঁটে ফেলা কাগজের মতো
জীবন থেকে কেঁটে নিয়েছে কাছের মানুষগুলো...
আজ যারা কেবল স্মৃতির পাতায় সীমাবদ্ধ..
জীবনের কাছে ছুড়ে দেয়া সব প্রশ্নের উত্তর
আমাকে দিয়েছে সময় ক্রুর হাসি হেসে ..
সব ছেড়ে কোন অরণ্যে চলে যাওয়ার ইচ্ছা জাগে তাই
ঠিক সোনালী ত্রিস্তানের সেই অরণ্যের শ্রেষ্ঠ দিনগুলোর. মতো..
হয়তো পাশে থাকবে না সোনালীর মত কোন রূপবতী
সফলতার আলো খুজতে গিয়ে প্রেমের সময় মধ্যবিত্তদের আসে না
এভাবেই তারা হেটে যায় পথে
পাশে কেউ থাকে কেউ থাকে না.......
কিন্তু আমিও তোমাদের মত একজন
আমারও ক্লান্তি বোধ হয় হাটতে হাটতে এই ব্যস্ত পথে
কে হায় জীবন বিক্রি করতে চায় জীবিকার দামে.
স্বপ্নদের মৃত্যু হয়েছে সেই কবে
একটুকরো ইচ্ছে বেঁচে থাক আমার শান্ত চিলেকোঠায়
একদিন এই ব্যস্ততা নিকোটিনের ধোয়ায় উড়িয়ে
চলে যাব..হারিয়ে যাব কোন অজানা ভুবনে..
আবার জীবন্ত হবে মুছে যাওয়া সময়..
আমার অস্তিত্বকে নীরবে নিবৃতে বন্দী করে নিব তার বৃত্তে...
নিজেকে নতুন করে ঠিক খুঁজে নিব তাদেরই মাঝে.
যারা অতীতে.স্মৃতির বাতি জ্বালিয়ে বসে আছে আমার অপেক্ষায়

শুক্রবার, ২৯ এপ্রিল, ২০১৬

সিগারেটেও এতটা নিকোটিন নেই যতটা আছে তোমার স্মৃতিতে


যদিও আমি অপেক্ষা করি
হৃদয়ের আকাশে এক টুকরো মেঘের জন্য..
তুমি জানতেও পারবেনা তৃষ্ণার্ত
দু’চোখ প্লাবিত হয়েছে
অঝোর বর্ষণে, অকারনে,
জানতেও পারবেনা আমি
তোমায় ভালোবাসি
এখনও নিঃস্বার্থভাবে

কেন তুমি এভাবে মরুভূমির বুকে ফেলে গেলে

আজ নাকি আমার গর্ভধারিণীর চির বিদায়ের দিন কেমন সন্তান আমি যার কোলে করে আসলাম এই পৃথিবীতে তাকেই আমি... আমি কি এমনি বিষাক্ত ছিলাম যে আমাকে জম্ম দিয়েই মাত্র দুই বছর মধ্যেই চলে যেতে হলো তাকে কেমন কঠিন প্রাণ আমার তবু বেঁচে গেলাম।হয়তো জম্মই আমার আজম্ম পাপ। সবাই মায়ের মুখখানি দেখে কিন্তু আমি তো.কি আর করব আর
সবার সাথে রাগ করলেও
সৃষ্টিকর্তার
সাথে কি রাগ করে পারা যায়

বৃহস্পতিবার, ২৮ এপ্রিল, ২০১৬

হটাৎ করে পর হয়ে গেলে

ভাঙ্গা আত্ম চিৎকারে নিজেকে লুকীয়ে রাখি আমি কান্নার প্রতিধ্বনি পিছু ছাড়ে না আমার কষ্ট সে তো এক নির্লজ্জ বন্ধু আমার হাজার বার এ মন থেকে ছুড়ে ফেলে দিলেও বার বার ফিরে আসে এ মনের মাঝে যন্ত্রণারা তো নীরব সঙ্গী আমার নির্ঘুম রাতের চাইলেও চোখের কোনে ঘুম আসতে দেয় না ওরা আমার নির্ঘুম রাত্রি যাপনে ওরা আমার বুকের ভিটায় আদিম নৃত্য করে স্বপ্ন ভাঙ্গার এক একটা বিশাল ধ্বংসাবশেষের নিচে একাকী আমি বেঁচে থাকার আপ্রাণ চেস্তায় জীবনের সাথে যুদ্ধ করে যাচ্ছি কখনো মনে হয় আমি হেরে গেছি আবার কখনো মনে হয় না কিছু স্বপ্ন এখনো বেঁচে আছে এই বুকে .যে স্বপ্ন গুলো কে আমি প্রাণের ছোঁয়া দেব কোন একদিন. হারিয়েছি নামের এক নষ্ট বিবর্ণ অতীত অনেক অনেক দূর থেকে আমায় নিয়ে অট্ট হাসি হাসে ওদের হাসি কি যে ভয়ংকর তা হয়তো তুমি জানো না .অসহায় আমি আবারো হারিয়ে যায় একটু একটু করে বেদনার অতলে..এভাবে আর কত দিন .আর কত কান্না আর কত নির্ঘুম রাত্রি পোহালে মুক্তি দিবে এ জীবন আমায় তুমি কি বলতে পারো

I hear your voice, on the line But it doesn't stop the pain If I see you next to never how can we say forever I hear your voice, on the line But it doesn't stop the pain If I see you next to never how can we say forever

Wherever you go, whatever you do 
I will be right here, waiting for you 
Whatever it takes, or how my heart breaks 
I will be right here waiting for you
I took for granted, all The times 
That I thought would last somehow 
I hear the laughter, I taste the tears 
But I can't get near you now 
Oh can't you see it baby, 
You've got me going crazy


একসময় বৃষ্টির স্পর্শে আবেগতাড়িত হত মন।
এখন প্রায়ই শিশিরের কোমল স্পর্শে
স্পন্দিত হয় হৃদয়।
তারপর ও শূন্যতা-
কি যেন নেই, কার যেন স্পর্শের অভাব।
কবেকার মনোহর মনে আজ হেমন্তের কুয়াশার চাদর।
সেই কবে শিশির স্নাত কারো পায়ের স্পর্শ
বেধ করেছিল আমার কর্ণকুহর।
মনের স্পন্দনে-
পালিত ভালবাসা জেগে উঠেছিল
দীর্ঘ বিরতির পর।
সে সব শুধু আমার ছিল আয়োজন
ছিল মনের আত্মসমর্পণ।
মর্মর শব্দে হেমন্তের ঝরা পাতার সাথে
প্রতিদিন আমার শরীর হেঁটে যায়
গাছের মরণ পাতার সাথে হয় বন্ধুত্ব।
তবুও কেহ ফিরে নাহি চায়,

  • দীর্ঘশ্বাস ফেলে এখনও চমকে তাকাই কারও অপেক্ষায়।